এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি

 

অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি ( PTCA ) : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে :

  • হসপিটালে 3 দিনের বেড চার্জ
  • এই প্যাকেজের সাথে যুক্ত সব টেস্ট, ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের খরচ
  • ডাক্তারের ফি
  • অপারেশন থিয়েটর এর চার্জ

 

এই প্যাকেজের মধ্যে নেই :

  • স্টেন্টের দাম ও (দরকার হলে ) বেলুনের খরচ
  • 3 দিনের বেশী হসপিটালে থাকার খরচ
  • এই প্যাকেজের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, যে কোনো অসুস্থতার চিকিৎসা ও টেস্টের খরচ

 

বাইরে থেকে আসা রোগীর পরিবারের থাকার ব্যবস্থা

ভিন্ন রাজ্য বা দেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীর পরিবারের, হসপিটালের কাছাকাছি কোন গেস্ট হাউস বা হোটেলে থাকার জন্য ব্যবস্থা ও সব রকমের সাহায্য, ডিসান করে থাকে ।

আরও জানতে
ই-মেল:info@desunhospital.com (24 ঘন্টা) অথবা,
 ফোন:(+91) 86977 21124 / (+91) 83340 31345 (সোম – শনি, সকাল 10 টা – সন্ধ্যে 6 টা)
 

কখন করোনারী অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করানোর প্রয়োজন হয় ?

অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করার সময় কতটা ব্যাথা লাগে ?

 

 

করোনারী অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি কী ?

হার্টের ধমনীতে ( করোনারী আর্টারী) ফ্যাট, কোলেস্টেরল বা অন্য কোন বস্তু জমে, ধমনীর (আর্টারী) রক্ত চলাচল পথ সরু করে দেয়। যার ফলে, হার্টে রক্তের প্রবাহ কমে যায়, সেই জন্য বুকে ব্যাথা ও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরী হয় । কখনো, ধমনীর এই সরু অংশে রক্ত-পিন্ড আটকে যায় যা, হার্টে রক্ত চলাচল সম্পূর্ন বন্ধ করে হার্ট অ্যাটাক এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে ।

অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি (PTCA) অপারেশনের সাহায্যে ধমনীর (আর্টারী) বন্ধ অংশ খুলে দেওয়া হয়; যাতে রক্ত স্বাভাবিক ভাবে হার্টে, চলাচল করতে পারে । হাত বা পায়ের ধমনীর (আর্টারী) মধ্যে দিয়ে একটি পাতলা টিউব (ক্যাথিয়েটর), ক্যাথল্যাব এর স্ক্রীন দেখে, ধমনীর মধ্যে দিয়ে হার্ট (করোনারী আর্টারী) পর্যন্ত পাঠানো হয় । এই টিউব টির মাথায় একটি ছোট বেলুন লাগানো থাকে যেটা ফুলিয়ে, স্টেন্ট (এক ধরনের নেট) টিকে ধমনীতে বসিয়ে দেওয়া হয় যার সাহায্যে ধমনীর সরু অংশে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায় ।

কলকাতার ডিসান হসপিটালে, সবচাইতে কম খরচে ও সফল ভাবে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি অপারেশন করা হয়ে থাকে ।

 

কখন করোনারী অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করানোর প্রয়োজন হয় ?

  • হার্ট অ্যাট্যাক বা দীর্ঘ দিন ধরে হওয়া বুকে ব্যাথার চিকিৎসায় বা পরবর্তীকালে হার্ট অ্যাট্যাকের সম্ভবনা জানতে এই টেস্ট করা হয়।
  • করোনারী ধমণীর কতটা অংশ বন্ধ তার উপর নির্ভর করছে কোন চিকিৎসা (বাইপাস সার্জারি না আঞ্জিওপ্লাস্টি) তা বুঝতে এই টেস্ট করা হয়।
 

কীভাবে করোনারী অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয় ?

করোনারী অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি তে রুগীকে লোকাল অ্যানাসথেসিয়া দেওয়া হয় । তারপর রুগির কব্জি, কনুই বা কুচকি থেকে একটা লম্বা নল (ক্যাথিটর) হার্ট পর্যণ্ত প্রবেশ করানো হয় । এই নল এর মধ্যে দিয়ে এক ধরনের ডাই (রং) পাঠিয়ে, “ক্যাথ ল্যাব” নামে এক অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে হার্ট এবং ধমনির এক্স-রে চিত্র নেওয়া হয় ।

 

অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করার সময় কতটা ব্যাথা লাগে ?

অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করার সময় খুবই অল্প ব্যাথা লাগে কারণ, যে জায়গা থেকে ক্যাথিটর প্রবেশ করানো হয়, চিকিৎসক সেই যায়গা টি অসাড় করে দেন । ক্যাথিটর ধমনীতে প্রবেশ করানোর সময় সামান্য চাপ অনুভব হতে পারে কিন্তু ওষুধের সাহায্যে অনেকটাই স্বাভাবিক রাখা হয় ।

 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
  • নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের, প্রধান যেদুটি ভয় থাকে সেগুলি হল; অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও দ্বিতীয়টি হল অপারেশনের আগে বা পড়ে আসা কোন কার্ডিয়াক সমস্যা । এই দুটির মধ্যে যেকোন একটি হলে, খুব ভাল চিকিৎসকেরও কিছু করার থাকে না । ডিসান হসপিটাল, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে অপারেশন থিয়েটর সম্পূর্ন স্টীলের (স্টীল ওটি) যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকেই না । এবং হার্টের সমস্যা সামলানোয় ডিসান, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট । ডিসানে, অপারেশনের পরেও রোগীকে, চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় ।
 

সব সময়ের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা, ডিসানে উপস্থিত

  • ডিসানের 28 টি মেডিকেল বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা 24 ঘন্টার জন্যই উপস্থিত । কোন রোগী বিশেষ কোন সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর, তার সাথে আরও বিভিন্ন সমস্যা আসতে দেখা যায়, যার জন্য অন্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হতে পারে । এইক্ষেত্রে ডিসানে, তার নিজস্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সব সময়ের জন্য উপস্থিত থাকে যা অন্য হসপিটালে অনেক সময়ই থাকে না ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত