এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

কার্ডিয়াক রিসিঙ্কোনাইজেশন ডিফাইব্রিলেটর

 

কার্ডিয়াক রিসিঙ্কোনাইজেশন ডিফাইব্রিলেটর (CRT-D) : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে :

  • হসপিটালে 6 দিনের বেড চার্জ
  • এই প্যাকেজের সাথে যুক্ত সব টেস্ট, ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের খরচ
  • ডাক্তারের ফি
  • অপারেশন থিয়েটর এর চার্জ

 

এই প্যাকেজের মধ্যে নেই :

  • ডিভাইসের দাম
  • 6 দিনের বেশী হসপিটেলে থাকার খরচ
  • এই প্যাকেজের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, যে কোনো অসুস্থতার চিকিৎসা ও টেস্টের খরচ

 

বাইরে থেকে আসা রোগীর পরিবারের থাকার ব্যবস্থা

ভিন্ন রাজ্য বা দেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসা, রোগী ও তার পরিবারের হসপিটালের কাছাকাছি কোন গেস্ট হাউস বা হোটেলে থাকার জন্য ব্যবস্থা ও সব রকমের সাহায্য, ডিসান করে থাকে ।

আরও জানতে
ই-মেল:info@desunhospital.com (24 ঘন্টা) অথবা,
 ফোন:(+91) 86977 21124 / (+91) 83340 31345 (সোম – শনি, সকাল 10 টা – সন্ধ্যে 6 টা)
 

CRT-D কেন প্রয়োজন হয় ?

CRT-D ইমপ্ল্যান্ট বা প্রতিস্থাপনের ফলে কী সুবিধা হয় ?

CRT-D বসানোর পর কীভাবে থাকতে হয় ?

 

CRT-D কী ?

CRT-D হল, একটি কার্ডিয়াক ডিভাইস যা ইন্সুলেটেড ওয়ার (এক ধরনের তার, যা তাপ সহ্য করতে পারে) এর মাধ্যমে হার্টে ইলেকট্রিক ইমপালস (কারেন্ট) পাঠায় । CRT-D ডিভাইস এর সাহায্যে, হার্টের উপর ও নিজের চেম্বারের মধ্যে সমন্বয় স্থাপন করে । CRT-D ডিভাইস, হার্টের গতি অস্বাভাবিক হলে তার জন্য থেরাপি দিয়ে থাকে ও সেখান থেকে প্রাণঘাতী কোন সমস্যা আসার সম্ভাবনা আটকায় । CRT-D ডিভাইসে, প্রচলিত পেসমেকারের থেকে অতিরিক্ত একটি লিড থাকে যা, হার্টের বা-দিকের চেম্বারের সাথে যুক্ত থাকে ও হার্টের বিভিন্ন অংশের কাজের মধ্যে সমন্বয় রাখে ।

 

CRT-D কেন প্রয়োজন হয় ?

হার্ট ফেলিওর (HF) এর সাথে সম্পর্কিত যে কোন সমস্যা বা রোগের চিকিৎসায় CRT-D বসানোর প্রয়োজন হয় । হার্ট ফেলিওর হল এমন এক শারীরিক অবস্থা যেখানে হার্ট এর সঙ্কোচন ক্ষমতা হারিয়ে যাবার ফলে হার্ট স্বাভাবিক ভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে না ।

 

CRT-D কখন প্রয়োজন হয় ?

বিভিন্ন কারনের জন্য, CRT-D বসানোর প্রয়োজন হতে পারে, যেমন –

  • কনজেস্টিভ হার্ট ফেলিওর (CHF)
  • ইতিমধ্যে যদি ভেন্ট্রিকুলার টেকিকার্ডিয়া বা ভেন্ট্রিকুলার ফাইব্রিলেশন হয়ে গিয়ে থাকে বা ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভেন্ট্রিকুলার টেকিকার্ডিয়া বা ভেন্ট্রিকুলার ফাইব্রিলেশন এর ফলে হার্ট বিট বা হৃদ-স্পন্দন স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায় ।
  • কার্ডিয়োমায়োপ্যাথি (হার্টের পেশী দূর্বল হয়ে, আকারে বেড়ে যায়)
  • হার্টের নীচের চেম্বারে, তার কাজ করার সিগন্যাল সময়ে না যায় বা বান্ডল ব্র্যাঞ্চ ব্লক থাকে
 

CRT-D ইমপ্ল্যান্ট বা প্রতিস্থাপনের ফলে কী সুবিধা হয় ?

CRT-D ডিভাইস ইমপ্ল্যান্ট বা বসানোর প্রধান সুবিধা হল, ডিভাইস টি হার্টের গতির উপর একটানা নজর রাখে ও অ্যারিদিমিয়া বা হার্টের গতিতে কোন অস্বাভাবিকত্ব দেখা গেলে, নিজে থেকে তার চিকিৎসা বা থেরাপি করে থাকে ।

  • কথা বলার সময় মোবাইল ফোন সবসময় ICD -র উল্টোদিকে অর্থাৎ ডান কানে ধরতে হবে ।
  • সুইচ অন থাকা অবস্থায়, ফোন ডিভাইস থেকে কমপক্ষে 6 ইঞ্চি দূরে রাখতে হবে অর্থাৎ ফোন বুক পকেটে রাখা যাবে না ।
 

CRT-D বসানোর পর কীভাবে থাকতে হয় ?

  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, সময়মত পালস (নাঁড়ির গতি) দেখে তা লিখে রাখা উচিত ।
  • প্রত্যেক 6 মাসের মধ্যে অন্তত একবার চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ডিভাইস টি চেক করানো উচিত ।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ নেওয়া জরুরী ।
  • নিঃশ্বাসে কস্ট , পা ফুলে যাওয়া , ওজন বেড়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা বা জ্ঞান হারানোর মত সমস্যা হলে; দেরী না করে চিকিৎসকের সাথে তখনই পরামর্শ করা উচিত ।
  • সাথে সবসময় একটা পরিচয় পত্র (I.D কার্ড) রাখা উচিত যার সাহায্যে অন্যরা বুঝতে পারেন যে শরীরে, ICD বসানো আছে ।
  • ঘরে ব্যবহার করা হয় এমন কোন ইলেকট্রনিক জিনিস ICD –র উপর কোনো প্রভাব ফেলে না । তবে ICD বসানোর পর কলকারখানা বা ভারী উৎপাদন শিল্পের সাথে যুক্ত কোনো জায়গায় কাজ করলে তা, ICD –র উপর প্রভাব ফেলতে পারে । এক্ষেত্রে চিকিৎসকের সাথে
  • আলোচনা করে নেওয়া সবচাইতে ভাল।
 

CRT-D বসানোর পর কী মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যায় ?

CRT-D বসানোর পর মোবাইল ফোন অবশ্যই ব্যবহার করা যায় তবে, কিছু সতর্কতা নিয়ে -

  • কথা বলার সময় মোবাইল ফোন সবসময় ICD -র উল্টোদিকে অর্থাৎ ডান কানে ধরতে হবে ।
  • সুইচ অন থাকা অবস্থায়, ফোন ডিভাইস থেকে কমপক্ষে 6 ইঞ্চি দূরে রাখতে হবে অর্থাৎ ফোন বুক পকেটে রাখা যাবে না ।
 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, এন.এ.বি.এইচ (ন্যাশন্যাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে, এন.এ.বি.এইচ (ন্যাশন্যাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) –কে, জে.সি.এ.এইচ.ও (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথকেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং জে.সি.আই (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশন্যাল) এর সমান মনে করা হয় –এই দুই সংস্থার হিসেবেই আমেরিকার হসপিটাল গুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ।
  • নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে জাতীয় এক পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটা তালিকা প্রকাশ করেছিল, যেখানে ডিসান হসপিটাল ছিল প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট-বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7 টি হসপিটাল “প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল” (ক্লাস 1 হসপিটাল সার্ভিস প্রোভাইডার)” হিসেবে বিবেচিত । ডিসান এদের মধ্যে প্রথম ।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টির বেশি হসপিটাল কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গর্ভমেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী যুক্ত। এদের মধ্যে মাত্র 2 টি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দিয়ে “অতি-বিশেষ হসপিটাল (সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল)”-এর মর্যাদা পেয়েছে এবং ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য কলকাতার ডিসানই, সবচাইতে সুরক্ষিত

• অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের, প্রধান যেদুটি ভয় থাকে সেগুলি হল; অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও দ্বিতীয়টি হল অপারেশনের আগে বা পড়ে আসা কোন কার্ডিয়াক সমস্যা । এই দুটির মধ্যে যেকোন একটি হলে, খুব ভাল চিকিৎসকেরও কিছু করার থাকে না । ডিসান হসপিটাল, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে অপারেশন থিয়েটর সম্পূর্ন স্টীলের (স্টীল ওটি) যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকেই না । এবং হার্টের সমস্যা সামলানোয় ডিসান, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট । ডিসানে, অপারেশনের পরেও রোগীকে, চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় ।

 

সবসময়ের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা উপস্থিত

ডিসানের 28 টি মেডিকেল বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা 24 ঘন্টার জন্যই উপস্থিত । কোন রোগী বিশেষ কোন সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর, তার সাথে আরও বিভিন্ন সমস্যা আসতে দেখা যায়, যার জন্য অন্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হতে পারে । এইক্ষেত্রে ডিসানে, তার নিজস্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সব সময়ের জন্য উপস্থিত থাকে যা অন্য হসপিটালে অনেক সময়ই থাকে না ।

 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত