এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

কোলোনোস্কোপি প্রসিডিওর

 

কোলোনোস্কোপি প্রসিডিওর : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

কোলোনোস্কোপি কী ?

কোলনোস্কোপির সময় কী হয় ?

কোলনোস্কোপির পর কী হয় ?

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

 

কোলোনোস্কোপি কী ?

কোলোনোস্কোপি একটি আউট পেশেন্ট প্রসিডিওর, যার সাহায্যে লার্জ ইন্টেস্টাইন বা বৃহদন্ত্রের ( কোলন ও রেক্টাম) পরীক্ষা করে দেখা হয় । কোলোনোস্কোপি মূলত, গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল সিম্পটম বা উপসর্গ যেমন মলদ্বার ও অন্ত্রের রক্ত ক্ষরণ, তলপেটে ব্যাথা, মলত্যাগ অভ্যেসে কোন পরিবর্তন প্রভৃতি সম্পর্কে জানতে করা হয়ে থাকে । কোলোরেক্টাল পলিপ্স বা ক্যান্সার হয়েছে কিনা জানতেও, কোলোনোস্কোপি করা হয়ে থাকে । স্ক্রীনিং কোলোনোস্কোপির পরামর্শ দেওয়া হয়, যখন রোগীর বয়স 50 বছরের উর্দ্ধে হয় ও তার পরিবারের কারও যেমন মা, বাবা, বোন বা ছেলে মেয়ের যদি কোলোরেক্টাল পলিপ্স বা ক্যান্সার আগে হয়ে থাকে ।

 

কোলোনোস্কোপির আগে কী করা হয় ?

কোলোনোস্কোপি ভাল ভাবে হওয়ার জন্য মলাশয় পরিষ্কার থাকা দরকার যাতে চিকিৎসক কোলন বা মলাশয় পরিষ্কার ভাবে দেখতে পান । প্রসিডিওরের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ সম্পূর্ন মানা খুবই গুরুত্বপূর্ন । মলাশয় বা কোলন পরিষ্কার না থাকলে কোলনোস্কোপি সফল হয় ও আবার করানোর প্রয়োজন হয় ।

 

কোলনোস্কোপির সময় কী হয় ?

কোলোনোস্কোপি প্রসিডিওরের সময় চিকিৎসক কোলনোস্কোপ ( ½ ইঞ্চি চওড়া, ফ্লেক্সিবেল বা নমনীয় লম্বাটে একটি যন্ত্র ) এর সাহায্যে কোলন এর ভিত্রের অংশের পরীক্ষা নীরীক্ষা করে থাকেন । কোলোনোস্কোপটি মলদ্বার থেকে বৃহদন্ত্রের মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করানো হয় । প্রয়োজন হলে কোলনোস্কোপির সময় অল্প পরিমাণ টিস্যু নেওয়া হয়ে থাকে, পলিপ্স হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার করে সম্পূর্ন বাদ দেওয়ার জন্য । বহুক্ষেত্রে, কোলোনোস্কোপির সাহায্যে কোলোরেক্টাল (কোলন ও রেক্টাল সম্পর্কিত) সমস্যা বা রোগ নির্নয় ও চিকিৎসা করা সম্ভব হয় কোনরকম সার্জারী ছাড়াই ।

 

কোলনোস্কোপি করতে সাধারণত কত সময় লাগে ?

কোলনোস্কোপি প্রসিডিওরের জন্য সাধারণত 30 মিনিট থেকে 1 ঘণ্টা সময় লাগে ।

 

কোলনোস্কোপির পর কী হয় ?

  • শিড়টান বা গ্যাস হয়েছে বলে মনে হতে পারে যা খুব তাড়াতাড়িই ঠিক হয়ে যায় ।
  • কোলোনোস্কোপির সময় যদি বায়োপসি করা হয়ে থাকে বা পলিপ্স বাদ দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে মলদ্বার থেকে 1 থেকে 2 দিন হালকা রক্তক্ষরন হতে পারে । কিন্তু রক্তক্ষরন যদি বেশী হয়, তলপেটে ব্যাথা হয় ও বেশী জ্বর আসে তাহলে তখনই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত ।
 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
    নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশ বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের প্রধান যে 2টি ভয় থাকে তাহল, অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও আরেকটি হল অপারেশনের আগে বা পরে আসা কার্ডিয়াক কোনো সমস্যা । এই 2টির মধ্যে যেকোন একটা হলে খুব ভাল চিকিৎসকেরও, কিছু করার থাকে না । ডিসান, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে, অপারেশন থিয়েটর পুরো সটীলের (স্টীল ওটি) তৈরী যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা প্রায় থাকেই না । অপারেশনের পরেও রোগীকে চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় । এছাড়া, ডিসান হার্টের যেকোনো সমস্যা সামলানোয়, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত