এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

ডবল চেম্বার DDDR

 

ডবল চেম্বার, DDDR : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে :

  • হসপিটালে 3 দিনের বেড চার্জ
  • এই প্যাকেজের সাথে যুক্ত সব টেস্ট, ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের খরচ
  • ডাক্তারের ফি
  • অপারেশন থিয়েটর এর চার্জ

 

এই প্যাকেজের মধ্যে নেই :

  • পেসমেকার এর দাম
  • 3 দিনের বেশী হসপিটালে থাকার খরচ
  • এই প্যাকেজের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, যে কোনো অসুস্থতার চিকিৎসা ও টেস্টের খরচ

 

বাইরে থেকে আসা রোগীর পরিবারের থাকার ব্যবস্থা

ভিন্ন রাজ্য বা দেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীর পরিবারের, হসপিটালের কাছাকাছি কোন গেস্ট হাউস বা হোটেলে থাকার জন্য ব্যবস্থা ও সব রকমের সাহায্য, ডিসান করে থাকে ।

আরও জানতে
ই-মেল:info@desunhospital.com (24 ঘন্টা) অথবা,
 ফোন:(+91) 86977 21124 / (+91) 83340 31345 (সোম – শনি, সকাল 10 টা – সন্ধ্যে 6 টা)
 

পেসমেকার কী ?

DDDR পেসিং মোড এর মানে কী ?

পেসমেকার কীভাবে কাজ করে ?

পেসমেকার বসানোর পর কী মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যায়?

 

খরচের জন্য আর, আপনার প্রিয়জনের চিকিৎসার সাথে আপোস করতে হবে না । বিশ্বমানের চিকিৎসা পরিষেবা, এখন সকলের সাধ্যের মধ্যে । ডিসান হসপিটাল ও হার্ট ইনস্টিটিউট, কলকাতার মধ্যে, সব চাইতে কম খরচে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে পার্মানেন্ট পেসমেকার বসানোর সার্জারী করে থাকে । ন্যায্য মূল্যে, উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবার জন্য ডিসানই সেরা ।

 

পেসমেকার কী ?

পেসমেকার একটি ছোট যন্ত্র, যা হার্টকে স্বাভাবিক ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে । পেসমেকার, ইলেকট্রিক স্টিমুলেশন
(কারেন্ট) পাঠিয়ে হার্ট-বিট (হৃদ-স্পন্দন) নিয়ন্ত্রন করে । কলারবোনের কাছে, চামড়ার নীচে পেসমেকার টি অপারেশনের মাধ্যমে বসানো হয় । এবং পাতলা কয়েকটি তারের সাহায্যে পেসমেকার টি হার্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

পেসমেকার হার্ট-বিট (হৃদ-স্পন্দন) স্বাভাবিক রাখে ফলে শরীরে রক্ত, অক্সিজেন ও খাদ্যের ঠিকমত সরবরাহ হয় । কখনো কখনো, পেসমেকার খুব অল্প সময়ের জন্য প্রয়োজন হয় (সাধারনত, হার্ট অ্যাটাকের পর) ; সেক্ষেত্রে পেসমেকার শরীরের ভিতর না বসিয়ে , চামড়ার উপরেও বসানো হয় ।

 

কখন ডবল চেম্বার পেসমেকার বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয় ?

সিক সাইনাস সিনড্রোম সহ ব্র্যাডিকার্ডিয়া বা অ্যান্ট্রিওভেন্ট্রিকুলার ব্লক থাকলে, চিকিৎসক সাধারণত ডবল চেম্বার পেসমেকার বসানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন ।

 

DDDR পেসিং মোড এর মানে কী ?

DDDR পেসিং মোডের মানে হল, একটি পেসমেকার যার লিড (পেসমেকারের, তারের মত অংশ যা হার্টের সাথে যুক্ত থাকে) হার্টের উপরের চেম্বার ( আটরিয়া) ও হার্টের নিচের চেম্বার (ভেন্ট্রিকেল) এর সাথে যুক্ত থাকে । এই ধরনের পেসমেকার, হার্টের উপর ও নিচ উভয় চেম্বারেরই স্বাভাবিক কাজ করায় সাহায্য করে । এই ধরনের পেসমেকারের সাথে একটি সেন্সরও লাগানো থাকে, যার সাহায্যে পেসমেকার হার্টের প্রয়োজনীয়তা বুঝে, নিজে থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে সঠিক পরিমান স্টিমুলি বা ইলেক্ট্রিক চার্জ হার্টে পাঠায় ।

 

DDDR পেসমেকার বসানোর প্রয়োজন কখন হয় ?

  • হার্ট-বিট (হৃদ স্পন্দন) যদি স্বাভাবিকের থেকে কম বা বেশি হয় ।
  • হার্টের ইলেকট্রিকাল পাথে-এ ( ইলেকট্রিকাল পাথের মাধ্যমে সিগন্যাল তৈরী হয় যা, রক্ত প্রবাহ কখন হবে তা হার্টকে বলে দেয়) কোনো বাঁধা (ব্লক ) থাকলে ।
 

কীভাবে পেসমেকার কাজ করে ?

  • পেসমেকার কয়েকটি সরু তার দিয়ে হার্টের সাথে যুক্ত থাকে । এই তারের মাধ্যমে পেসমেকার, অসংখ্য ছোট ছোট ইলেকট্রিক চার্জ (কারেন্ট) হার্টে পাঠায় যা আমাদের শরীর বুঝতে পারে না ।
  • পেসমেকারের সাথে লাগানো ব্যাটারীর সাহায্যে, ইলেকট্রিক চার্জ তৈরী হয় ।
  • পেসমেকার যখন প্রয়োজন অর্থাৎ হার্ট-বিট (হৃদ স্পন্দন) কম, বেশি বা অনিয়মিত হলে শুধুমাত্র তখনই কাজ করে ।
 

পেসমেকার বসানোর পর কীভাবে থাকা উচিত ?

  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, সময়মত পালস (নাঁড়ির গতি) দেখে তা লিখে রাখা উচিত ।
  • প্রত্যেক 3 থেকে 6 মাসের মধ্যে, অন্তত একবার চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত । পেসমেকারের সাথে লাগানো ব্যাটারী প্রায় 5 থেকে 8 বছর কাজ করে তবে ব্যাটারী শেষ হয়ে গেলে আবার অপেরেশন করে নতুন ব্যাটারী বসাতে হয় ।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ নেওয়া জরুরী ।
  • নিঃশ্বাসে কস্ট , পা ফুলে যাওয়া , ওজন বেড়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা বা জ্ঞান হারানোর মত সমস্যা হলে; দেরী না করে চিকিৎসকের পরামর্শ তখনই নেওয়া উচিত ।
  • সাথে সবসময় একটা পরিচয় পত্র (I.D কার্ড) রাখা উচিত যার সাহায্যে অন্যরা বুঝতে পারেন যে শরীরে, পেসমেকার বসানো আছে ।
  • ঘরে ব্যবহার করা হয় এমন কোন ইলেকট্রনিক জিনিস পেসমেকারের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না । তবে পেসমেকার বসানোর পর কলকারখানা বা ভারী উৎপাদন শিল্পের সাথে যুক্ত কোনো জায়গায় কাজ করলে তা, পেসমেকারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে । এক্ষেত্রে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে নেওয়া সবচাইতে ভাল।
  • অন্য যেকোনো রকম চিকিৎসার আগে, চিকিৎসককে অবশ্যই পেসমেকারের কথা জানানো উচিত ।
 

পেসমেকার বসানোর পর কী মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যায় ?

পেসমেকার বসানোর পর মোবাইল ফোন অবশ্যই ব্যবহার করা যায় তবে, কিছু সতর্কতা নিয়ে-

  • কথা বলার সময় মোবাইল ফোন সবসময় পেসমেকারের উল্টোদিকে অর্থাৎ ডান কানে ধরতে হবে ।
  • সুইচ অন থাকা অবস্থায়, ফোন পেসমেকার থেকে কমপক্ষে 6 ইঞ্চি দূরে রাখতে হবে অর্থাৎ ফোন বুক পকেটে রাখা যাবে না ।
 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
  • নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের, প্রধান যেদুটি ভয় থাকে সেগুলি হল; অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও দ্বিতীয়টি হল অপারেশনের আগে বা পড়ে আসা কোন কার্ডিয়াক সমস্যা । এই দুটির মধ্যে যেকোন একটি হলে, খুব ভাল চিকিৎসকেরও কিছু করার থাকে না । ডিসান হসপিটাল, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে অপারেশন থিয়েটর সম্পূর্ন স্টীলের (স্টীল ওটি) যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকেই না । এবং হার্টের সমস্যা সামলানোয় ডিসান, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট । ডিসানে, অপারেশনের পরেও রোগীকে, চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় ।
 

সবসময়ের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা উপস্থিত

  • ডিসানের 28 টি মেডিকেল বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা 24 ঘন্টার জন্যই উপস্থিত । কোন রোগী বিশেষ কোন সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর, তার সাথে আরও বিভিন্ন সমস্যা আসতে দেখা যায়, যার জন্য অন্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হতে পারে । এইক্ষেত্রে ডিসানে, তার নিজস্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সব সময়ের জন্য উপস্থিত থাকে যা অন্য হসপিটালে অনেক সময়ই থাকে না ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত