এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

ইলেকট্রোসেফালোগ্রাম (EEG) প্রসিডিওর

 

ইলেকট্রোসেফালোগ্রাম (EEG) প্রসিডিওর : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

ইলেকট্রোসেফালোগ্রাম (EEG) প্রসিডিওর কী ?

কীভাবে EEG এর জন্য প্রস্তুতি নিতে হয় ?

ইলেকট্রোসেফালোগ্রাম (EEG) প্রসিডিওর এর পর কী হয় ?

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

 

ইলেকট্রোসেফালোগ্রাম (EEG) প্রসিডিওর কী ?

ইলেকট্রোসেফালোগ্রাম (EEG) একটি পেইন লেস বা ব্যথাহীন প্রসিডিওর যেখানে ইলেকট্রোডস (একটি ছোট মেটাল এর তৈরী ডিস্ক বা ধাতব চাকতি যা মাথার উপরি ত্বকে লাগানো থাকে, ব্রেইনের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাক্টিভিটি বোঝার জন্য) ব্যবহৃত হয় । মস্তিস্কের সেল বা কোষ গুলি ছট ছোট বৈদ্যুতিক তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং আমরা ঘুমিয়ে গেলেও এই বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সক্রিয় থাকে । মস্তিস্কের এই বৈদ্যুতিক তরঙ্গের ক্রিয়া কতগুলি তরঙ্গায়িত লাইনের মাধ্যমে EEG রেকর্ডিং –এ দেখা যায় । এপিলেপ্সি রোগ নির্নয়ের জন্য এটি প্রধান টেস্ট এছাড়া মস্তিস্কের কোন অস্বাভাবিকতা থাকলেও এই টেস্ট করা হয়ে থাকে ।

 

কেন এই টেস্ট টি করানোর প্রয়োজন হয় ?

EEG এর সাহায্যে মস্তিস্কের ক্রিয়ার কোন পরিবর্তন হলে বা এপিলেপ্সি হয়েছে কিনা জানতে তা জানা যায় । এছাড়া EEG এর সাহায্যে কিছু শারীরিক সমস্যা সম্পর্কে বিশদে জানা যায় ও সেগুলির চিকিৎসা সহজ হয়ে যায়, যেমন –

  • এপিলেপ্সি বা অনান্য সিজার ডিসওর্ডার
  • ব্রেইন টিউমার
  • হেড ইঞ্জিওরি
  • এনসেফালোপ্যাথি (বিভিন্ন কারনে ব্রেইন বা মস্তিস্ক ঠিক ভাবে কাজ করে না)
  • এনসেফালাইটিস ( ব্রেইনের ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ )
  • স্ট্রোক
  • নিদ্রাহীনতা বা ঘুমের সমস্যা
  • ভুলে যাওয়া বা মনে রাখতে না পারা
 

কীভাবে EEG এর জন্য প্রস্তুতি নিতে হয় ?

EEG করার আগে–

  • EEG টেস্ট করার ঠিক আগের দিন মাথা ভাল করে ধুত্তে হবে কিন্তু কোন জেল, ক্রীম, কন্ডিশনার বা স্প্রে চুলে ব্যবহার করা যাবে না ।
  • টেস্টের 6 ঘণ্টা আগে থাকে কোন ক্যাফিন জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না ।
  • চিকিৎসক মানা না করে থাকলে রোজকার ওষুধ খেতে পারেন ।
  • আপনাকে যদি EEG টেস্টের সময় ঘুমোতে হয় তাহলে চিকিৎসক আম্নাকে টেস্টের আগের দিন কম ঘুমানোর এমনকি ঘুমোতে মানাও করতে পারেন । টেস্টের সময় যদি তাও ঘুম না আসে তাহলে চিকিৎসক সিডেটিভ ওষুধ দিতে পারেন ।
 

ইলেকট্রোসেফালোগ্রাম (EEG) প্রসিডিওর এর সময় কী হয় ?

EEG প্রসিডিওরের সময় তেমন কোন সমস্যাই হয় না । ইলেকট্রোডস এর জন্য কোন অনুভূতিই হয় না, এগুলি শুধু মস্তিস্কের তরঙ্গের রেকর্ড করে । টেস্টের সময় –

  • একজন টেকনিশিয়ান আপনার মস্তিস্কের পরিমাপ করে এক ধরনের পেন্সিল দিয়ে দাগ দিয়ে দেবেন ।
  • তারপর বিশেষ ধরনের একটি আঠা দিয়ে ইলেকট্রোডস বা মেটাল ডিস্ক গুলি মাথার উপরের ত্বকে বা স্ক্যাল্পে লাগিয়ে দেওয়া হবে ।
  • টেস্টের সময় রিল্যাক্স হয়ে চোখ বন্ধ করে থাকতে হয় ।
 

ইলেকট্রোসেফালোগ্রাম(EEG)প্রসিডিওর এর পর কী হয় ?

EEG টেস্টের পর টেকনিশিয়ান ইলেকট্রোডস বা ক্যাপ গুলি সড়িয়ে দেন । যদি কোন সিডেটিভ না দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে টেস্টের পর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না ও স্বাভাবিক কাজ কর্ম করা যায় । কিন্তু টেস্টের সময় কোন সিডেটিভ ওষুধ দেওয়া হলে সাধারণত 1 ঘণ্টা সময় লাগে ওষুধের প্রভাব কাটতে । এবং সেক্ষেত্রে আপনাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য কোন কাউকে সাথে থাকতে হবে । সেই দিনটা বিশ্রাম নেওয়া উচিত ও গাড়ি চালানো বা ড্রাইভ করা কখনই উচিত নয় ।

 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
    নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশ বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের প্রধান যে 2টি ভয় থাকে তাহল, অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও আরেকটি হল অপারেশনের আগে বা পরে আসা কার্ডিয়াক কোনো সমস্যা । এই 2টির মধ্যে যেকোন একটা হলে খুব ভাল চিকিৎসকেরও, কিছু করার থাকে না । ডিসান, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে, অপারেশন থিয়েটর পুরো সটীলের (স্টীল ওটি) তৈরী যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা প্রায় থাকেই না । অপারেশনের পরেও রোগীকে চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় । এছাড়া, ডিসান হার্টের যেকোনো সমস্যা সামলানোয়, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত