এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

এন্ডোস্কোপি প্রসিডিওর

 

এন্ডোস্কোপি প্রসিডিওর : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এন্ডোস্কোপি প্রসিডিওর কি ?

কে এন্ডোস্কোপি পরীক্ষা করেন ?

এন্ডোস্কোপি করার খরচ ?

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

 

এন্ডোস্কোপি প্রসিডিওর কি ?

কোন সার্জারী ছাড়াই রোগীর হজম প্রণালী(ডাইজেসটিভ ট্র্যাক্ট) পরীক্ষা করা হয় । এন্ডোস্কোপি করার সময় ( লাইট ও ক্যামেরা যুক্ত একটি ফ্লেক্সিবল টিউব যাকে এন্ডোস্কোপ বলা হয় তার সাহায্যে) চিকিৎসক একটি কালার টিভিতে রোগীর হজম প্রনালীর কার্যকারিতা দেখতে পান ।

আপার এন্ডোস্কোপি করার সময় ওই লাইট ও ক্যামেরাযুক্ত টিউবটি চিকিৎসক রোগীর মুখ ও গলার মধ্যে দিয়ে ঢুকিয়ে পেটের হজম প্রনালী(এসোফেগাস) ও তার কার্যকারিতা দেখতে পান । পাশাপাশি এর সাহায্যে হজম প্রণালীর উপরী অংশও দেখতে পাওয়া যায় ।

এন্ডোস্কোপি পরীক্ষা, কলোন(লার্জ ইনটেসটাইন) এর মধ্য দিয়েও করা হয় । ইনটেসটাইন পেটের ভিতর যে অংশে থাকে সেই অংশ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে ।এই বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতির নাম সিগময়েডোস্কোপি অথবা কলোনোস্কোপি । কোলন পরীক্ষার ওপর এই চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে থাকে ।

এন্ডোস্কোপির আরও একটি বিশেষ ধরণ আছে যার নাম এন্ডোস্কোপিক রেট্রোগ্রেড কোলানগিওপ্যানক্রিয়াটিওগ্রাফি অথবা ইআরসিপি যা পেটের ভেতরে বিভিন্ন অংশ যেমন প্যানক্রিয়াস, গলব্লাডার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশের ছবি তুলে থাকে । এন্ডোস্কোপি আল্ট্রাসাউন্ড ( ইইউএস) আপার এন্ডোস্কোপি এবং আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা সহযোগে হজম প্রণালীর ছবি ও তথ্যদিয়ে থাকে ।

 

এন্ডোস্কোপি করার প্রয়োজনীয়তা কি?

কি কি কারনে এন্ডোস্কোপি করা হয় তা দেখে নেওয়া যাক

  • পেটের যন্ত্রণা
  • আলসার, গ্যাসট্রিক বা অন্যান্য কঠিন পেটের সমস্যা দেখা দিলে
  • হজম প্রণালীতে রক্তক্ষরণ ঘটলে
  • অভ্যাসের পরিবর্তন ঘটলে ( ক্রনিক কন্সটিপেশন অথবা ডাইরিয়া)
  • কোলোন বেড়ে গেলে

চিকিৎসকরা এন্ডোস্কোপ ব্যাবহার করেন বাইপসি করার জন্য ।এর মাধ্যমে রোগের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায় । এছাড়াও এন্ডোস্কোপির সাহায্যে হজম প্রণালীর সমস্যা দূর করা সম্ভব হয়ে থাকে । উদাহরন স্বরূপ বলা যায় আলসার থেকে রক্তক্ষরণের কারন খুঁজে বের করার পাশাপাশি রক্তপাত বন্ধ করতেও সাহায্য করে । কলোন পলিপ্স রোধ করে কোলোন ক্যানসারের সম্ভাবনা কম করে । ইআরসিপি ব্যবহারের মাধ্যমে গলব্লাডারের গলস্টোন বা পাথর বের করে আনতে সাহায্য করে থাকে ।

 

কে এন্ডোস্কোপি পরীক্ষা করেন ?

এন্ডোস্কোপি প্রসিডিওর সাধারণত গ্যাস্ট্রোইন্টেরোলজিস্ট ও অন্যান্য বিশেষঙ্গ যেমন গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল সার্জান করে থাকেন ।

 

এন্ডোস্কোপির জন্য কিভাবে তৈরী হতে হবে?

প্রস্তুতী : আপার ডাইজেসটিভ ট্র্যাক (আপার এন্ডোস্কোপি অথবা ইআরসিপি) পরীক্ষার জন্য রোগীকে 6-8 ঘন্টা খালিপেটে থাকতে হয় । কোলন পরীক্ষার সময় আগে থেকে মল পরিত্যাগ করা প্রয়োজন । তারপর পরীক্ষার আগের দিন একটি বা বেশ কয়েকটি লাক্সাটিভস রোগীকে দেওয়া হয় ।

সিডেশন :এন্ডোস্কোপি পরীক্ষার সময় লক্ষ্য রাখা হয় যাতে রোগীর কোনরকম অসুবিধা বা সমস্যা না দেখা দেয় । পরীক্ষা চলাকালীন রোগীর যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেদিকেও নজর রাখা হয় । ভেইন বা শিরায় ইনজেকশন (যাকে অ্যানাস্থেশিয়া বলে)দিয়ে রোগীকে হাল্কা ঘুমাচ্ছন্ন করা হয় ।

 

এন্ডোস্কোপি করার খরচ ?

সাধারণত এক এক সেন্টারে এক এক খরচে এন্ডোস্কোপি করা হয়ে থাকে । কিন্তু কলকাতার ডিসান হসপিটালে এন্ডোস্কোপি করার খরচ অন্যন্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অনেক কম ।

 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
    নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশ বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের প্রধান যে 2টি ভয় থাকে তাহল, অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও আরেকটি হল অপারেশনের আগে বা পরে আসা কার্ডিয়াক কোনো সমস্যা । এই 2টির মধ্যে যেকোন একটা হলে খুব ভাল চিকিৎসকেরও, কিছু করার থাকে না । ডিসান, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে, অপারেশন থিয়েটর পুরো সটীলের (স্টীল ওটি) তৈরী যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা প্রায় থাকেই না । অপারেশনের পরেও রোগীকে চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় । এছাড়া, ডিসান হার্টের যেকোনো সমস্যা সামলানোয়, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত