এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

ফাইবার অপটিক ল্যারিঞ্জোস্কোপি (এফওএল) প্রসিডিওর

 

ফাইবার অপটিক ল্যারিঞ্জোস্কোপি (এফওএল)প্রসিডিওর : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

ল্যারিঞ্জোস্কোপি কি ?

ল্যারিঞ্জোস্কোপি প্রসিডিওর কেন করা হয় ?

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

 

ল্যারিঞ্জোস্কোপি কি ?

ল্যারিঞ্জোস্কোপি একটি বিশেষ পদ্ধতি যার সাহায্যে চিকিৎসক রোগীর গলা,কন্ঠস্বর (ভয়েস বক্স) এবং ভোকাল কর্ডস পরীক্ষা করেন ।

 

ল্যারিঞ্জোস্কোপির বিভিন্ন ধরণগুলি কি কি ?

ইনডাইরেক্ট ল্যারিঞ্জোস্কোপি: ইনডাইরেক্ট ল্যাররিঞ্জোস্কোপি চিকিৎসকের চেম্বারে করা হয়ে থাকে । একটি ছোট হাত আয়না রোগীর গলার পিছন ভাগে ধরে রোগীর মুখের ভিতর চিকিৎসক আলো ফেলেন এবং তাঁর মাথার সঙ্গে আটকানো একটি ছোট আয়না দিয়ে গলার পিছনের অংশ পরীক্ষা করেন । সাম্প্রতিক কালে অনেক চিকিৎসক রোগীরগলার পিছনের অংশ স্বচ্ছ করে দেখার জন্য ব্রাইট আলো ব্যবহার করেন । ইনডাইরেক্ট ল্যারিঞ্জোস্কোপি এখন আর ব্যবহার করা হয় না কারন ফ্লেক্সিবল ল্যারিঞ্জোস্কোপ চিকিৎসককে সাহায্য করে বেশি পরিস্কারভাবে পরীক্ষা করতে আর রোগীদেরও কষ্ট কম হয় ।

ডাইরেক্ট ফাইবার-ওপটিক (ফ্লেক্সিবল অথবা রিজিড)ল্যারিঞ্জোস্কোপি :

ডাইরেক্ট ফাইবার-ওপটিক (ফ্লেক্সিবল অথবা রিজিড) ল্যারিঞ্জোস্কোপি(এফওএল) এই বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্যে চিকিৎসকরা রোগীর গলার ভিতরে আরও গভীরে দেখতে পান । এই ল্যারিঞ্জোস্কোপি ফ্লেক্সিবল অথবারিজিড দুই হতে পারে । ফ্লেক্সিবল ল্যারিঞ্জোস্কোপির সাহায্যে গলার গভীরে আলো ফেলে ক্ষত দেখা হয় এবং তার চিকিৎসা করা হয় । রিজিড ল্যারিঞ্জোস্কোপি সাধারণত অস্ত্রপ্রচারের সময় করা হয় ।
 

ল্যারিঞ্জোস্কোপি প্রসিডিওর কেন করা হয় ?

ডিরেক্ট ও ইনডাইরেক্ট ল্যারিঞ্জোস্কোপি (এফওএল) করা হয় বিভিন্ন কারনে - 1)কন্ঠস্বরে কোনও সমস্যা থেকে থাকলে , কন্ঠস্বর ফ্যাসফ্যাসে অথবা ধরা থাকলে , এছাড়া দূর্বল কন্ঠস্বর বা কোন কারনে স্বর না বেরলে । 2)রোগীর গলা অথবা কানে যন্ত্রণা দেখা দিলে । কথা বলার সময়ে গলায় ব্যাথা হলে অথবা গলা দিয়ে রক্তপাত ঘটলে ।3)গলায় আগে থাকতে কোন ক্ষত অথবা গলার কন্ঠনালীতে ব্লকেজ থেকে থাকলে । সার্জারীর মাধ্যমে ডাইরেক্ট রিজিড ল্যারিঞ্জোস্কোপি ব্যবহার করা হয় । যা রোগীর কন্ঠ থেকে ফরেন অবজেক্ট দূর করে টিস্যুরনমুনা সংগ্রহ করে ।4) ভোকাল কর্ড থেকে পলিপস দূর করে । কন্ঠস্বর বা ল্যারিনাক্স (ভয়েস বক্স) ক্যানসার আক্রান্ত কিনা তা খুঁজে বের করার জন্য ।

 

ল্যারিঞ্জোস্কোপি’র জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়?

ইনডাইরেক্ট’ ল্যারিঞ্জোস্কোপি এবং ডাইরেক্ট ফ্লেক্সিবল ল্যারিঞ্জোস্কোপি
আপনি যদি নকল দাঁত ব্যবহার করে থাকেন তাহলে ল্যারিঞ্জোস্কোপি প্রসিডিওরের আগে তা খুলে রাখতে হবে ।

ডাইরেক্ট রিজিড ল্যারিঞ্জোস্কোপি
রিজিড ল্যারিঞ্জোস্কোপি করার আগে চিকিৎসককে জানিয়ে রাখুন আপনি যদি

  • যেকোনও ওষুধ বা অ্যানাস্থথেটিকেঅ্যালার্জী বা সংক্রমনথাকলে।
  • আগে থেকে কোনও ওষুধ নিয়ে থাকলে ।
  • রক্তপাত জনিত সমস্যা বা ব্লাড থিনিং ওষুধ নিয়ে থাকলে ।
  • আপনার কোন হৃদ সমস্যা থেকে থাকলে ।
  • আপনি গর্ভবতি হয়ে থাকলে ।
  • আগে কোনও সার্জারী বা রেডিয়েশন ট্রিটমেন্ট হয়ে থাকলে ।
 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
    নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশ বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের প্রধান যে 2টি ভয় থাকে তাহল, অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও আরেকটি হল অপারেশনের আগে বা পরে আসা কার্ডিয়াক কোনো সমস্যা । এই 2টির মধ্যে যেকোন একটা হলে খুব ভাল চিকিৎসকেরও, কিছু করার থাকে না । ডিসান, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে, অপারেশন থিয়েটর পুরো সটীলের (স্টীল ওটি) তৈরী যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা প্রায় থাকেই না । অপারেশনের পরেও রোগীকে চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় । এছাড়া, ডিসান হার্টের যেকোনো সমস্যা সামলানোয়, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত